Signature Digital Ltd

Loading

Ruqyah

Sale!

Ruqyah

Original price was: 440.00৳ .Current price is: 100.00৳ .

রুকইয়াহ সম্পর্কে জানুন পরিবারকে হেফাজতে রাখুন

 

 

Categories: ,

Description

কোনো ব্যক্তি যখন কুরআনের আয়াত, দুআ কিংবা আল্লাহর কোনো নাম বিশেষ কোনো
উদ্দেশ্যে—যেমন, নিজের বা অন্যের সুস্থতার জন্য কিংবা কোনো বিপদ থেকে
মুক্তির জন্য—একমাত্র আল্লাহ তাআলার সাহায্য চেয়ে পাঠ করে, পরিভাষায়
সেটাকে ‘রুকইয়াহ’ বলা হয়।

*** এখানে যে হাদিয়া ধরা হয়েছে সেটা কেবল সার্ভিস চার্জ এর অন্তর্ভুক্ত , ফাইল এর কোন মুল্য নেই । ***

শারীরিক, মানসিক, অতিপ্রাকৃতিক এবং আত্মিক রোগের জন্য রুকইয়াহ করা
হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের আলোকে সেই রোগের চিকিৎসা থাকুক কিংবা না থাকুক,
সর্বাবস্থায় যেকোনো রোগের জন্য রুকইয়াহ করা যায়। রুকইয়াহ মনের আশা
পূরণের জন্য কোনো জাদুমন্ত্র নয়। নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হওয়ার জন্য

কিংবা দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য এটা কোনো তদবির নয়। রুকইয়াহ পরীক্ষায় ভালো
ফলাফল করা বা ব্যাবসায় উন্নতি করার ওয়াফাও নয়। বরং এটা একটা চিকিৎসা-
পদ্ধতি মাত্র, যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের রোগের চিকিৎসা করা হয়।
যে আয়াতে জাদুর কথা আছে—সেটা
জাদুগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য, যে আয়াতে জিন বা শয়তানের কথা আছে—সেটা জিনের
রোগীর জন্য এবং যে আয়াতে হিংসা ও নজরের কথা আছে—সেটা বদনজরে
আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য অধিক উপকারী।

: আবু সাঈদ খুদরি  থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লামের একদল সাহাবি এক সফরে ছিলেন। একপর্যায়ে তাঁরা একটি আরব
গোত্রের নিকট স্বল্পকালীন অবস্থান করেন এবং তাদের কাছে মেহমান হতে চান;
কিন্তু তারা তাঁদের মেহমানদারি করতে অস্বীকৃতি জানায়। ঘটনাক্রমে সেই গোত্রের
সর্দারকে সাপ দংশন করে। তারা তাকে সুস্থ করার জন্য সব রকম চেষ্টা-চিকিৎসা
করে; কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছিল না। তখন তাদের একজন বলল, ‘যারা তোমাদের
কাছে এসেছিল, তোমরা যদি ওই দলের কাছে যেতে, তাহলে হয়তো ভালো হতো।
হয়তো তাদের কাছে কিছু থাকবে।’ তখন তারা এসে বলল, ‘হে দলের লোকেরা,
আমাদের সর্দার দংশিত হয়েছেন। আমরা তার জন্য সব রকমের চেষ্টা করেছি; কিন্তু
কোনো ফল হয়নি। তোমাদের কারও নিকট কি কিছু আছে?’ কাফেলার একজন
বললেন, ‘হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আমি ঝাড়ফুঁক জানি। তবে আমরা তোমাদের নিকট
মেহমান হতে চেয়েছিলাম; কিন্তু তোমরা আমাদের মেহমানদারি করোনি। তাই
আল্লাহর কসম, আমি ততক্ষণ পর্যন্ত ঝাড়ফুঁক করব না, যতক্ষণ না তোমরা আমার
জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করবে।’ তখন তারা বিনিময়স্বরূপ একপাল বকরি দিতে
সম্মত হলো। তারপর সেই সাহাবি সেখানে গেলেন এবং সূরা ফাতিহা পড়ে থুতু
দিতে থাকলেন। অবশেষেসে ব্যক্তি এমন সুস্থ হলো, যেন বন্ধন থেকে মুক্ত হলো।

সে এমনভাবে চলাফেরা করতে লাগল, যেন তার কোনো রোগই নেই।

বর্ণনাকারী বলেন, তখন তারা যে পারিশ্রমিক ঠিক করেছিল—তা পরিশোধ করল।
এরপর সাহাবিদের মধ্যে একজন বললেন, ‘এগুলো বণ্টন করে দাও।’ তখন যিনি
ঝাড়ফুঁক করেছিলেন, তিনি বললেন, ‘যতক্ষণ না আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট গিয়ে এই ঘটনা জানাচ্ছি, ততক্ষণ আমরা বণ্টন
করব না।’ তারপর তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট
এসে ঘটনা বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন, ‘তুমি কী করে জানলে যে, এটা (সূরা
ফাতিহা) একটা রুকইয়াহ? তোমরা ঠিকই করেছো। তোমরা এগুলো বণ্টন করে
নাও এবং সাথে আমার জন্যও এক ভাগ রেখো।

 

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “Ruqyah”